টেক আলাপ বিডিঃ গ্রুপ চ্যাট আমাদের সকলের জনপ্রিয় বিশেষ করে তরুনদের মাঝে বেশি হয় গ্রুপ চ্যাট। করোনার এই মহামারিতে গ্রুপ চ্যাট করার পরিমাণ অনেক গুন বেশি হয়ে গিয়েছে।
করোনার এই সময়ে আত্মীয়-স্বজনের গ্রুপ, সহ-কর্মীদের গ্রুপ ও এলাকার বন্ধুদের সাথে গ্রুপ চ্যাট এর মাধ্যমে যোগাযোগ রাখছেন।এতে করে সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকছে সাথে সাথে প্রতিনিয়ত আড্ডা হচ্ছে কাছের মানুষদের সাথে।
এই যে এতো ভালো দিকের মাঝে গ্রুপ চ্যাটের রয়েছে কিছু খারাপ দিক এর মাঝে অন্যতম হচ্ছে অনেকে সোশ্যাল ওভারলোড সমস্যায় ভুগছেন।
অনেকের মাঝে অস্থিরতা দেখা যায় গ্রুপ চ্যাটের নোটিফিকেশন আসলে। কী ম্যাসেজ দিলো,কে ম্যাসেজ দিলো তা জানার পর রিপ্লাই দেওয়ার চাপ তৈরি হয়।
আমেরিকান সাইকোলোজিকাল অ্যাসোসিয়েশনের হেলথ কেয়ার ইনোভেশনের ডিরেক্টর ভাইল রাইট জানিয়েছেন, এই সমস্যার সমাধান অন্য কেউ করে দিবেন না এই সমস্যার সমাধান নিজের করতে হবে।
যদি কেউ নিজে মনে করেন সে গ্রুপে কথা বলতে চাচ্ছে না তাহলে এটা সরাসরি বলতে হবে নিজের স্বার্থে এতে নিজের জন্যই ভালো।
আমি ম্যাসেজ দিতে পারলাম না তবে পরের বার গ্রুপ কলে আমাকে অ্যাড কোরো- এ ধরণের কথা বললে জটিলতা আরও বাড়বে। সাথে সাথে নিজের মাঝে মানসিক চাপ আরও বেড়ে যাবে।
যদিও অনেকের কাছে গ্রুপ চ্যাট বেশ কাজের কিন্তু মানসিক সহায়তা চাওয়ার ক্ষেত্রে কিংবা সুখ দুঃখের আলাপের জন্য গ্রুপ চ্যাট সুবিধাজনক নয়।
মানসিক সহায়তা নিয়ে গ্রুপ চ্যাট করলে সাথে সাথে অন্য কার হতে পারে এই সমস্যা। এর চেয়ে ফোনে কারও সঙ্গে কথা বলা ভালো। এতে মানুষ সহমর্মী হতে পারে, ফলে সম্পর্ক দৃঢ় হয় সমস্যার কথা ভালো ভাবে বুঝিয়ে বলা যায়।
তাই আমাদের সকলের গ্রুপ চ্যাটের ব্যাপারে সতর্ক হওয়া উচিৎ পাশাপাশি সকলকে সতর্ক করা উচিৎ বিশেষ করে কিশোর কিশোরী দেরকে বুঝানো উচিৎ এই সমস্যার সম্পর্কে।
আরও পড়ুনঃ
যেভাবে ফিরে পাবেন ইনস্টাগ্রামে মুছে ফেলা ছবি
আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা ক্লাবহাউস অ্যাপের
আসছে করোনা ভ্যাকসিনের ডিজিটাল পাসপোর্ট


0 Comments